জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর
জীবন মানেই পরীক্ষা! প্রতিসময় প্রতিমুহূর্ত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করতে হয়। আর ছাত্র জীবনে তো পরীক্ষার শেষ নেই। আপনি পরীক্ষার খাতায় কি লিখতে পারেছেন বা কতটুকু সন্দুর করে তা উপস্থাপন করতে পেরেছেন তার উপর নির্ভর করে আপনার রেজাল্ট। আপনি যথেষ্ট মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষার খাতায় সঠিকভাবে উপস্থাপনার অভাবে কম নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো পড়ালেখা সঙ্গে সঙ্গে কিছু টিপস জানা না থাকলে মেধাবী হয়েও চমৎকার রেজাল্ট আপনার হাত ছাড়া হতে পারে। পরীক্ষায় ভাল করার জন্য কিছু নিয়ম আলোচনা করা হলো: আশা করি কাজে লাগবে-
১। পরীক্ষার আগের রাতে পড়া রিভিশন দেয়া জরুরী কিন্তু খুব বেশি রাত জেগে পড়া উচিত না। এমনকি নতুন কোনো বিষয় নিয়ে পড়া উচিত না। শুধু মাত্র আগের পড়াগুলো শব্দ করে পড়তে হবে। মনের ভেতর গেঁথে রাখতে হবে। পরীক্ষার আগের অনেক রাত জেগে পড়ার কারনে পরীক্ষার সময় ক্লান্তি অনুভব হতে পারে এবং স্বরণশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২। পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা। এমনকি পরীক্ষার আগে সেগুলো মনে করে পরীক্ষার কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া। যেমন: একাধিক কলম, পেন্সিল, সাইন পেন, স্ক্যাল, ক্যালকুলেটর, প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডসহ অনুমোদিত অন্যান্য সরঞ্জামাদি। এমন যেনো না হয়, পরীক্ষার উত্তেজনায় কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নিতে ভুলে গেছেন। প্রয়োজনে সরঞ্জামগুলো পরীক্ষা করে নিতে হবে। যেমন: কলমে কালি ঠিক মতো আছে কিনা, পেন্সিল চোক্কানো, প্রবেশপত্রের ফটোকপি ও মূল কপি ইত্যাদি।
৩। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরীক্ষার ২০-২৫ মিনিট কেন্দ্রে আসা উচিত, আর পরীক্ষা কেন্দ্র দূরে হলে আরও কিছু বাড়তি সময় নিয়ে আসতে হবে। কারণ এক মিনিট পরে কি হবে সেটা কেউই জানি না। তাই পথে কোন সমস্যা (জানজট, দুর্ঘটনা ইত্যাদি) হলে যাতে সমস্যা না হয়। পরীক্ষার সময় দেরি করে হলে উপস্থিত হলে আপনার স্বাভাবিক উত্তর ব্যাহত হতে পারে।
জীবন মানেই পরীক্ষা! প্রতিসময় প্রতিমুহূর্ত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করতে হয়। আর ছাত্র জীবনে তো পরীক্ষার শেষ নেই। আপনি পরীক্ষার খাতায় কি লিখতে পারেছেন বা কতটুকু সন্দুর করে তা উপস্থাপন করতে পেরেছেন তার উপর নির্ভর করে আপনার রেজাল্ট। আপনি যথেষ্ট মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষার খাতায় সঠিকভাবে উপস্থাপনার অভাবে কম নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো পড়ালেখা সঙ্গে সঙ্গে কিছু টিপস জানা না থাকলে মেধাবী হয়েও চমৎকার রেজাল্ট আপনার হাত ছাড়া হতে পারে। পরীক্ষায় ভাল করার জন্য কিছু নিয়ম আলোচনা করা হলো: আশা করি কাজে লাগবে-
১। পরীক্ষার আগের রাতে পড়া রিভিশন দেয়া জরুরী কিন্তু খুব বেশি রাত জেগে পড়া উচিত না। এমনকি নতুন কোনো বিষয় নিয়ে পড়া উচিত না। শুধু মাত্র আগের পড়াগুলো শব্দ করে পড়তে হবে। মনের ভেতর গেঁথে রাখতে হবে। পরীক্ষার আগের অনেক রাত জেগে পড়ার কারনে পরীক্ষার সময় ক্লান্তি অনুভব হতে পারে এবং স্বরণশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২। পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা। এমনকি পরীক্ষার আগে সেগুলো মনে করে পরীক্ষার কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া। যেমন: একাধিক কলম, পেন্সিল, সাইন পেন, স্ক্যাল, ক্যালকুলেটর, প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডসহ অনুমোদিত অন্যান্য সরঞ্জামাদি। এমন যেনো না হয়, পরীক্ষার উত্তেজনায় কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নিতে ভুলে গেছেন। প্রয়োজনে সরঞ্জামগুলো পরীক্ষা করে নিতে হবে। যেমন: কলমে কালি ঠিক মতো আছে কিনা, পেন্সিল চোক্কানো, প্রবেশপত্রের ফটোকপি ও মূল কপি ইত্যাদি।
৩। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরীক্ষার ২০-২৫ মিনিট কেন্দ্রে আসা উচিত, আর পরীক্ষা কেন্দ্র দূরে হলে আরও কিছু বাড়তি সময় নিয়ে আসতে হবে। কারণ এক মিনিট পরে কি হবে সেটা কেউই জানি না। তাই পথে কোন সমস্যা (জানজট, দুর্ঘটনা ইত্যাদি) হলে যাতে সমস্যা না হয়। পরীক্ষার সময় দেরি করে হলে উপস্থিত হলে আপনার স্বাভাবিক উত্তর ব্যাহত হতে পারে।
৪। খাতায় মার্জিন টানা বা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাইন পেন দিয়ে মার্ক করে দেয়া। শিক্ষক খাতা দেয়ার পর এবং প্রশ্ন পাওয়ার আগ মুহূর্তে কিছুটা কাজ করে নিতে হয়। খাতায় সুন্দরভাবে মার্জিন টানা। সেক্ষেত্রে পেন্সিল দিয়ে মার্জিন টানা ভালো। কলম দিয়ে মার্জিন টানলে কলমের কালি বেশি অপচয় হয় এবং খাতার সুন্দর্য নষ্ট হয়। অনেকে আছেন খাতার পাতা ভাজ করেন। এতেও চলে তবে মার্জিন করলে বেশি সুন্দর লাগে। অনেকে একাধিক অতিরিক্ত পাতা নিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে পৃষ্ঠার উপর খাতার নম্বর লিখে রাখা ভালো।
৫। আপনি যে ধর্মের অনুসারি হন না কেনো, মনে ঈশ্বরকে স্মরণ রাখবেন। তবে শুধু সৃষ্টি কর্তার নাম নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। উত্তরগুলো খাতায় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে হবে। পরীক্ষায় ভালো করতে হলে, প্রথমে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে ভালো ও সুন্দর মতো পারেন সেগুলো আগে দিতে হবে।
এনএফ


0 comments:
Post a Comment