More Stories

Tuesday, January 24, 2017

সফল ব্যক্তি হতে যেকয়টি কাজ করতেই হবে

by
স-ফ-ল-তা। চারটি বর্ণের সমন্বয়ে একটি শব্দ। তার আগে দেখে নেই প্রকৃতির কিছু লিলাখেলা। সমুদ্র বা নদীর ঢেউয়ে যেমন পাড় ভেঙ্গে যায়, তেমন সেই ঢেউয়ের তালে পাল তোলা নায়ের মাঝিরা কূলে ভিড়তে পারে। রাত যত গভীর হয়, ভোর তত কাছে আসে। মেঘের আড়ালে যেমন সূর্য লুকিয়ে থাকে তেমনি ব্যর্থতার পরই জীবনের সফলতা আসে। মানুষের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবনেও মাঝে মাঝে এমন ঝড়-তুফানের দেখা যায়। এতে অল্পতেই আমরা হাপিয়ে উঠি বা ধর্যহারা হয়ে পড়ি। অথচ প্রকৃতপক্ষে এটা তার জন্য পরীক্ষা। কিছু সময়ের জন্য যদি সে অটল থাকতে পারে, সাহস ও হিম্মত না হারিয়ে টিকে থাকে। তাহলে জীবনের সব সমস্যাগুলো তাকে নিয়ে যাবে সমাধানের রাজপথে। সাময়িক এ ধৈর্যের বিনিময়ে উচ্চতার সুপ্রান্ত সীমায় পরতে পারবে সম্মানের তাজ। আজ নির্দিষ্ট কোন কারণ বা উপায় আপনাকে দিতে পারব না তবে যেভাবে সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে হয় তার কিছু নমুনা দিচ্ছি। তাহলে আসুন আজ জেনে নিই কিভাবে আপনি আপনার সফলতার দিকে এগিয়ে যাবেন।

১. আপনি কি করতে চান: প্রথমে মনে মনে চিন্তা করুণ, আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কি করতে চায়। আপনি কি হবেন, কেন হবেন এবং সেটা কিভাবে। কিভাবে কাজটা শুরু করলে আপনি ভালো করতে পারবেন। এসব বিষয়ে মনযোগী হতে হয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আশাবাদী হওয়া। পড়াশুনা কিংবা ক্যারিয়ার যে কোন ক্ষেত্রেই নিজের সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণ করুন। সবসময় ভাববেন, যে কোন কঠিন কাজ হোক না কেন আপনার দ্বারাই তা করা সম্ভব।
২. কাজের মাধ্যম নিজে প্রস্তুত করে নেয়া: আপনি যে ক্ষেত্রে কাজ করতে চান সেখানে আপনি কি কি বাঁধার সম্মুখিন হতে পারেন, তার একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেন। এতে বিপদের হাত থেকে সহজে মুক্তি পাবেন। ভুল করেও মনে হতাশা স্থান দিবেন না। এমনকি হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকবেন। নিজেকে সময় উপযোগী করে গড়ে তুলুন। দেখবেন কাজ আপনার সঙ্গ ছাড়বে না।
৩. হতাশ হলে চলবে না:- আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখিন হচ্ছেন তাই হতাশ হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু না এভাবে আপনাকে ভেঙে পড়লে চলবে না। তাহলে আপনার লক্ষ্য থেকে সরে যাবেন। সফল হতে হলে আপনাকে ইস্পাতের চেয়েও বেশি শক্ত হতে হবে। মনে রাখবেন “সমস্যা যতই হোক, সমাধান তত”


৪. অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া: পরামর্শ আপনার জীবনের গতি পালটে দিতে পারে। সেটা অবশ্যই অভিজ্ঞদের কাছ থেকে নিবেন। আপনি আপনার সিনিয়ার ব্যক্তিদের থেকে পরামর্শ নিতে পারে। কারণ তারা আপনার চেয়ে সেই কাজটা আরো আগে করেছে এবং জানে কোথায় কোথায় সমস্যাগুলো থাকে। সেটা জানলে আপনি ওই ভুল বা সমস্যায় পড়বেন না। ছোট একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন: গুগলের দুই জন ব্যবস্থাপক আছেন যাদের কোনো রুম নাই। তারা তারা সবার মাঝে বসে কাজ করেন কিন্তু তারপর ও তার সবার থেকে আলাদা।
৫. নিজের পেশাকে সম্মান করা: কাজকে আপনি ভালোবাসুন, কাজ আপনাকে আরো উপরে তুলে দিবে। আপনি যে পেশায় থাকেন না কেনো, হোক সেটা টিউশনি বা ইট ভাঙার কাজ, সেই কাজকে সম্মান করতে হবে। আপনি আপনার কাজকে সম্মান করলে অন্যরাও করবে। আপনি যদি দেখেন, একসময় আপনার পেশার অনেক দাম ছিলো, কিন্তু এখন আর কেউ দাম দেয় না। তাহলে বিষয়টা কিন্তু ঠিক হবে না। দিনে দিনে সব কাজের মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। তাই আপনার পেশার কাজ অন্যরা যেভাবে করে তার চেয়ে একটু ব্যতিক্রমভাবে আপনি করুণ, দেখবেন কাজও সহজ হয়ে যাবে এবং তাড়াতাড়ি উপরে উঠতে পারবেন।

৭. নিজের উপর আস্তা রাখুন ও দুর্বলতা দূর করুণ: আস্তা একন একটা জিনিস এটা যতক্ষণ রাখবেন কোনো সমস্যা আর সমস্যা মনে হবে না। কিন্তু একবার আস্তা হারিয়ে ফেললে হতাশায় ডুবে যাবেন। আস্তা রাখতে হবে, অন্যরা পারলে আপনিও পারবেন। সেই সঙ্গে নিজের দুর্বলতা সম্পর্কে জানুন। নিজের শক্তিশালী এবং দুর্বল দিকগুলো জানতে পারলে এর উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। কাজেই সবার আগে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে জানার চেষ্টা করুন। এতে এমনিতেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। নিজেকে সঠিকভাবে জানতে না পারলে আপনার ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা কখনই জেগে উঠবে না।

৮. হাসতে শিখুন ও শিখতে আগ্রহী হোন: হাসিকে বলা হয় সব রোগের মহৌষুধ। আমরা জানি, কষ্টের মুহূর্তগুলোতে মানুষ হাসতে পারে না। সেসময় সুখের সময়গুলোর দিকে মনোযোগ দিন। দেখবেন তাহলে হাজারো কষ্টের মধ্যেও হাসতে পারবেন। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে। কিছুর শেখার মধ্যে আত্মবিশ্বাস তখনই তৈরি হবে যদি ব্যক্তির নিজের ভুল থেকে শিক্ষার্জন করার অভ্যাস থাকে। এতে পরবর্তীতে নতুন উদ্যোমে কাজ করার মানসিকতা তৈরি হবে।

৯. নির্ভশীলতা কমানোঃ- অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কামাতে হবে। কারণ আপনি কার ও উপর নির্ভর করে কোন কাজ নিতে পারেন না। আপনি হয়ত ভাবতে পারেন সে আমার অমুক হয়, আমার কাজটা সে আমার করে দিবে না কখনই না, আপনি এটা করবেন না। কারণ আপনার কাজ অন্য কেউ করে দিলে তাতে আপনি পিছিয়ে পরবেন, আর সে দক্ষ হয়ে উঠবে। আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলে সফলতা হাতে চলে আসবে।

১০. ধৈর্য ধারণ করাঃ
- এটা আপনার জন্য সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপনি যে কাজই করেন না কেন। সেটা হউক অনলাইন বা অফলাইন যেটাই হউক না কেন। আপনি যে ক্ষেত্রে কাজ করেন না কেন আপনাকে অব্যশই ০৫ বছর অপেক্ষা করতেই হবে। বাংলাতে প্রবাদ আছে- ‘‘ধৈর্য ফল মিষ্টি হয়”। শুধু মিষ্টি নয় আরো অনেক কিছুই হয়। তাই আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবেই। সময়ই আপনাকে বলে দিবে আপনি কখন সফলতা পাবেন।

সর্বপরি, সফলতা সবার ক্ষেত্রে সমান হয় না এটা এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম হয়। আশা করি আপনারা যদি এই নিয়মগুলো মেনে চলেন তাহলে সফলতা আপনাদের আসবে ই ইনশাল্লাহ্।

NU BD/National University

Friday, January 13, 2017

পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার কয়েকটি পদ্ধতি

by
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর
জীবন মানেই পরীক্ষা! প্রতিসময় প্রতিমুহূর্ত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করতে হয়। আর ছাত্র জীবনে তো পরীক্ষার শেষ নেই। আপনি পরীক্ষার খাতায় কি লিখতে পারেছেন বা কতটুকু সন্দুর করে তা উপস্থাপন করতে পেরেছেন তার উপর নির্ভর করে আপনার রেজাল্ট। আপনি যথেষ্ট মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পরীক্ষার খাতায় সঠিকভাবে উপস্থাপনার অভাবে কম নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো পড়ালেখা সঙ্গে সঙ্গে কিছু টিপস জানা না থাকলে মেধাবী হয়েও চমৎকার রেজাল্ট আপনার হাত ছাড়া হতে পারে। পরীক্ষায় ভাল করার জন্য কিছু নিয়ম আলোচনা করা হলো: আশা করি কাজে লাগবে-

১। পরীক্ষার আগের রাতে পড়া রিভিশন দেয়া জরুরী কিন্তু খুব বেশি রাত জেগে পড়া উচিত না। এমনকি নতুন কোনো বিষয় নিয়ে পড়া উচিত না। শুধু মাত্র আগের পড়াগুলো শব্দ করে পড়তে হবে। মনের ভেতর গেঁথে রাখতে হবে। পরীক্ষার আগের অনেক রাত জেগে পড়ার কারনে পরীক্ষার সময় ক্লান্তি অনুভব হতে পারে এবং স্বরণশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২। পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা। এমনকি পরীক্ষার আগে সেগুলো মনে করে পরীক্ষার কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া। যেমন: একাধিক কলম, পেন্সিল, সাইন পেন, স্ক্যাল, ক্যালকুলেটর, প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডসহ অনুমোদিত অন্যান্য সরঞ্জামাদি। এমন যেনো না হয়, পরীক্ষার উত্তেজনায় কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নিতে ভুলে গেছেন। প্রয়োজনে সরঞ্জামগুলো পরীক্ষা করে নিতে হবে। যেমন: কলমে কালি ঠিক মতো আছে কিনা, পেন্সিল চোক্কানো, প্রবেশপত্রের ফটোকপি ও মূল কপি ইত্যাদি।

৩। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরীক্ষার ২০-২৫ মিনিট কেন্দ্রে আসা উচিত, আর পরীক্ষা কেন্দ্র দূরে হলে আরও কিছু বাড়তি সময় নিয়ে আসতে হবে। কারণ এক মিনিট পরে কি হবে সেটা কেউই জানি না। তাই পথে কোন সমস্যা (জানজট, দুর্ঘটনা ইত্যাদি) হলে যাতে সমস্যা না হয়। পরীক্ষার সময় দেরি করে হলে উপস্থিত হলে আপনার স্বাভাবিক উত্তর ব্যাহত হতে পারে।

৪। খাতায় মার্জিন টানা বা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাইন পেন দিয়ে মার্ক করে দেয়া। শিক্ষক খাতা দেয়ার পর এবং প্রশ্ন পাওয়ার আগ মুহূর্তে কিছুটা কাজ করে নিতে হয়। খাতায় সুন্দরভাবে মার্জিন টানা। সেক্ষেত্রে পেন্সিল দিয়ে মার্জিন টানা ভালো। কলম দিয়ে মার্জিন টানলে কলমের কালি বেশি অপচয় হয় এবং খাতার সুন্দর্য নষ্ট হয়। অনেকে আছেন খাতার পাতা ভাজ করেন। এতেও চলে তবে মার্জিন করলে বেশি সুন্দর লাগে। অনেকে একাধিক অতিরিক্ত পাতা নিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে পৃষ্ঠার উপর খাতার নম্বর লিখে রাখা ভালো।

৫। আপনি যে ধর্মের অনুসারি হন না কেনো, মনে ঈশ্বরকে স্মরণ রাখবেন। তবে শুধু সৃষ্টি কর্তার নাম নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। উত্তরগুলো খাতায় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে হবে। পরীক্ষায় ভালো করতে হলে, প্রথমে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে ভালো ও সুন্দর মতো পারেন সেগুলো আগে দিতে হবে।
এনএফ

Wednesday, January 11, 2017

পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার সহজ টিপস

by

বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ফেসবুকের অনুসারে, একশ জনের মধ্যে ৬৪ জন ব্যবহারকারী ছাত্র-ছাত্রী। দিনের অনেকটা সময় কেটে যায় পড়াশোনার জন্য। তাই পাঠ্যপুস্তক হাতে নিয়ে পড়াতে খুব একটা ভালো লাগে না তাদের। পড়তে বসলেই মন ছুটে যায় ফেসবুকের দিকে। এই বুঝি কেউ ইনবক্সে কিছু লিখলো, হয়তো কেউ ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠালো, পছন্দে কোনো ব্যক্তি হয়তো চমৎকার কোনো স্ট্যাস্টা দিয়েছে, যা আমি এখনও দেখিনি। সব মিলিয়ে মনের মধ্যে এক ধরণের টানা উত্তেজনা কাজ করে। 

কিন্তু প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর মনেই একটা আকাঙ্খা থাকে ভালো রজাল্ট করার। তাই অল্প পড়াশোনা করে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করাতে কে না চায়। আশাকরি এতে সকল ধরনের ছাত্র-ছাত্রীরা লাভবান হবে:

(১) পরিকল্পনা করুন:
পরিকল্পনা যেকোনো কাজের অর্ধেক। তাই সহজ ভাষায় বলা যায়, পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত যত কাজ হয়েছে তার শতকরা ৯৮ ভাগ কাজই সফলতা অর্জন করেনি। তাই কি করবেন, কতটুকু করবেন তার সুষ্ঠুপরিকল্পনা করে ফেলুন। যেমন- আপনি প্রতিদিন প্রতিটা বইয়ের ১টি প্রশ্নের উত্তর পড়বেন অথবা সকালে এই বই পড়বেন, রাতে অন্য বই পড়বেন।

(২) জোরে শুধু পড়–ন, মুখস্থ করবেন না:
অনেকেই হয়তো মুখস্থ করতে সময় লাগে। তাই যেটা পড়বেন সেটা শুধু পড়ুন কিন্তু মুখস্থ করতে চেষ্টা করবেন না। পড়ার সময় অবশ্যই শব্দ করে পড়–ন। কারণ এতে আপনার কান শব্দটা শুনতে পারবে। চেষ্টা করুণ যতটুকু পড়ছেন ততটুকু বুঝে বুঝে পড়তে। অনেক সময় এমন হয় শুধু পড়ার কারনে আপনার পুরো বিষয়টা পরীক্ষার সময় আপনি ভুলে গেছেন। জোর করে মস্তিকের উপর চাপ দিয়ে যদি মুখস্থ করতে যান তাহলে ভুলে যেতে পারেন। যেটা খুবই স্বাভাবিক। যেমন: আমরা পত্রিকা পড়ি কিন্তু মুখস্থকরি না, তবে খবরগুলো ঠিকই আমাদের মনে থাকে। তাই প্রতিদিনই অল্প-অল্প পড়াশোনা করার অভ্যাস করুণ।

(৩) পড়ার সময় মাঝে মাঝে লেখার চেষ্টা করুণ:
যে প্রশ্নটি পড়বেন সেটার উত্তরগুলো খাতায় লেখার চেষ্টা করুণ। কারণ কথায় আছে এক বার লেখা ১০ বার পড়ার সমান। এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এতে পড়াও মনে থাকবে ও চোখের সাহায্যে অন্তরেও গেঁথে যাবে। আমাদের চোখ ক্যামেরার কাজ করে। আপনি বেশি লিখবেন না, এতে সব কিছু গুলিয়ে ফেলতে পারেন। মনে রাখার জন্য প্রধান প্রধান বিষয়গুলো দুচার লাইন করে লিখুন।

(৪) সময় নির্ধারণ করে পড়াশুনা করুণ:
পড়ালেখার একটি মূল্যমন্ত্র হলো: সময়ের কাজ আপনাকে সময়ে করতেই হবে। বেশীক্ষণ পড়তে ভালো লাগেনা? মন অন্য কোথাও চলে যায়? ঠিক আছে। তাহলে প্রতিদিন ২-৩ ঘন্টা নির্ধারণ করুন। ওই সময়টুকু আপনি পড়ালেখা করবেন। তখন পৃথিবীর অন্য কোন কাজ করবেন না। শুধু আপনি আর পড়ালেখা। একটা প্রবাদ বাক্য আছে: কাজের সময় কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। তাই প্রতিদিন অল্প পড়াশোনা করার অভ্যাস করুন। সুন্দর ফলাফল তৈরি করুণ।
(৫) আপনার প্রতিযোগিতে ঠিক করুণ এবং টার্গেট নিন:
রেসের মাঠে একা দৌড়ালে যেমন কোন লাভ হবে না, তেমনি পড়াশোনায়ও ভালো রেজাল্ট করতে অবশ্যই আপনাকে প্রতিযোগি বিপক্ষে কাজ করতে হবে। আপনার থেকে ভালো কিংবা আপনার সঙ্গে প্রতিযোগিতা দিয়ে যারা পড়ালেখা করছে তাদের টার্গেট করুণ। মনে মনে একটি প্রতিজ্ঞা করুণ, পরবর্তি পরীক্ষায় আমি তার থেকে কমপক্ষে ২০/৩০ মার্কস বেশী ওঠাবো বা ২ পয়েন্ট বেশী অর্জন করবো। তবে প্রতিজ্ঞা করে বসে থাকলে চলবে না।

(৬) সফল হতে হলে আড্ডা বা চেট কমিয়ে দিন:
এখানে বলা হয়নি যে, আপনি একদম আড্ডা দিবেন না! কিন্তু আড্ডা দেয়ার সময় কমিয়ে দিন। প্রতিদিন যদি ২ ঘন্টা আড্ডা দেয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে সেটা আধা ঘন্টা কমিয়ে দিন। এই সময়টুকু অন্য কাজে লাগাতে পারবেন। নিয়মিত চেষ্টা করুণ এবং দেখবেন আড্ডা কমে আসবে। যেসব বন্ধু বা লোকজনের সঙ্গে আপনি আড্ডা দিচ্ছেন তারা যদি ভালো ছাত্র-ছাত্রী না হয় তাহলে আপনার এই আড্ডার সময়টুকু বৃথা যাচ্ছে। আড্ডা দিতে সবারই ভালো লাগে কিন্তু সেটা যদি হয় লেখাপড়াকে কেন্দ্র করে তাহলে সবার জন্য ভালো।

(৭) ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে চলুনঃ
কথায় আছে সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। আপনি যদি এভারেজ কিংবা খারাপ ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে চলাফেরা করেন তাহলে আপনার উপরে কিন্তু খারাপ প্রভাবই পরবে। মনে রাখবেন ভালো ছাত্র-ছাত্রীরা বেশির ভাগ সময় পড়ালেখা নিয়ে আড্ডা দেয় এবং সামনে তাদের কিরতে হবে, সে বিষয়ে চিন্তা করে।

(৮) ধর্মীয় ইবাদত মেনে চলুন:
আপনি যে ধর্মের অনুসারি হন না কেনো, ঈশ্বরকে ডাকলে তিনি আপনার কঠিন কাজ সহজ করে দিবেন। কিন্তু শুধু পরীক্ষার আগে ¯্রষ্টার নাম জপে কোন ফায়দা হয় না। প্রতিদিন অল্প অল্প করে ধর্মীয় কাজে মন দিন। তাহলে স্রষ্টাও আপনার উপরে খুশি হবেন। শুধুমাত্র বাবা-মা কিংবা টিচারের মন জয়ের জন্য কাজ করলে হবে না।
(৯) নির্দিষ্ট সময়ে পড়ার অভ্যাস গড়–ন:
পড়ালেখায় ভালো করার একটি সহজ পদ্ধতি হলো, সময় নির্দিষ্ট করা। প্রতিদিন অল্প পড়ুন বা বেশি পড়ুন সেটার একটা নির্দিষ্ট সময়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন। যেমন: প্রতিদিন সকালে আপনি অন্যযেকোন কাজ শুরু করার আগে ১-২ ঘণ্টা পড়ালেখা করে বাহিরে বের হবেন। কিংবা প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে ১০টা বা ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত পড়ার চেষ্টা করুণ। এই সময়টা শুধুই পড়ুন। অন্যকোন কাজ করবেন না।

(১০) টিভি দেখা কমিয়ে দিন:
সাধারণত আমরা সবাই টিভি দেখে নিজেকে নায়ক নায়িকা বা গায়ক গায়িকা ভাবতে পছন্দ করে। আর ছাত্র জীবনে এর প্রভাব ব্যাপক। কিন্তু মনে রাখবেন টিভিতে যা কিছু দেখি সবই কিন্তু প্রফেশনাল লোকজন করেন। এটা তাদের পেশা। তাই আপনি যদি তাদের মতো কল্পনা করেন কিন্তু পড়ালেখা না করেন তাহলে কিন্তু কোন কাজ হবে না।

লেখাপড়া আরো অনেক টিপস আছে। একবারে সব দিলাম না। তাহলে ভুলে যেতে পারেন। পরের পর্বে আরো দিবো। আশা করি আমাদের সঙ্গে থাকবেন। একটা কথা মনে রাখবেন আপনার পড়াশোনার পরিমানের উপর নির্ভর করবে আপনার পরবর্তী কর্ম জীবনের সফলতা।

Sunday, December 25, 2016

খ্রীষ্টান ধর্মের বড়দিন বা ক্রিসমাস (Christmas) কী?

by

শুভ বড়দিন। আমাদের দেশে, সমাজে ও পরিবারেও বিশেষ বিশেষ দিন উদ্যাপন করতে দেখা যায় যা মানুষের মধ্য থেকে এসেছে কিন্তু বড়দিন এক মহান দিন সেটা হলো প্রভু যীশু খ্রিস্টের জন্মদিন। ২০০০ বছরের অধিককাল পূর্বে এই ধরণীতে নেমে এসেছিলেন সমস্ত মানব জাতির একমাত্র ত্রাণকর্তা ও শান্তিরাজ প্রভু খ্রিস্ট যীশু। 

তাঁর এই জন্মবারতা হাজার বছর আগে নবীদের মাধ্যমে যা প্রকাশিত হয়েছিলেন তিনি। সৃষ্টিকর্তার পরিকল্পনায় পবিত্র আত্মার আবেশে কুমারী মরিয়মের গর্ভে প্রভু যীশু খ্রিস্টের প্রথম আগমন। বড়দিন সমস্ত মানুষের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার প্রদানের দিন। এই বড় দিন খ্রীষ্টানদের জন্য এক মহানন্দের দিন।

ক্রিসমাস বা বড়দিন। ক্রিসমাস বা বড়দিন খ্রিস্টিয়ানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই দিনটিকে খ্রিস্টিয়ানরা প্রভু যীশুর জন্মদিন হিসেবে পালন করেন। ইংরেজি শব্দ Christmass শব্দটির আগমন এসেছে পুরনো ইংরেজি বাক্য ‘Mass of the Christ's day’ থেকে।  ক্রিসমাস শব্দের সমার্থকরূপে বড়দিন, স্পেনিশ ভাষায় ‘নাভিদাদ’, ইতালীয় ভাষায় ‘নাতালি’, ফরাসি ভাষায়- ‘নোয়েল’ ।

২৫ ডিসেম্বরকে যীশুর জন্মদিন রূপে প্রথম চিহ্নিত করেন ধর্মপ্রচারক প্রথম ঐতিহাসিক সেকস্টাস জুলিয়াস আফ্রিকানার্স। ২২১ খ্রিস্টাব্দে যা পরবর্তীতে সারা বিশ্বের প্রচলিত হয়। রোমে ৩৫৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বড়দিন পালন করেন স্থানীয়রা। ২৫ ডিসেম্বর রোম রাজ্যে দিনটি ‘সূর্য উৎসব’ পালনের জন্য সরকারি ছুটি থাকতো। এ দিনেই শীত ঋতুর অবসানে বসন্ত ও গ্রীষ্ম ঋতুর নতুন আগমনি বার্তা নিয়ে নতুন সূর্যোদয় হয়। রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন ২৫ ডিসেম্বর দিনটিকেই যীশুর জন্মদিন রূপে চালু করেন। প্রকৃতপক্ষে যীশুর জন্ম তারিখ এখনো অনির্ধারিত রয়েছে।

বহুদিন পর্যন্ত ৬ জানুয়ারিকে যীশুর জন্মদিন রূপে উদযাপন করা হতো। কেননা এই দিনেই জর্ডান নদীর জলে ডুব দিয়ে যীশু ‘ব্যাপ্তাইজ’ হয়েছিলেন। গুড ফ্রাইডে অথবা ইস্টারের ন্যায় ধর্মানুভূতি ও ধর্মীয় আচার সহযোগে এই ক্রিসমাস পালিত না হলেও খ্রিস্টিয় নবম শতক থেকে এই দিনটিকে ঘটা করে উদযাপনের ইতিহাস রয়েছে। খ্রিসমাস পর্বে যে বৃক্ষের ব্যবহার দেখা যায়, এর কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা- বিশ্লেষণ না থাকলেও জামার্নির ট্রান্সবার্গ শহরে ১৬০৫ সালে এর প্রথম ব্যবহারের বৃত্তান্ত জানা যায়। ক্রিসমাস বৃক্ষে মোমবাতি জ্বালানোর প্রচলন ১৬১১ সালে শুরু হয়।

ত্রাণকর্তা যিশুর জন্মতিথি বড়দিনে, আমাদের নতুন করে নিজেকে জানতে ও গড়তে এবং সার্বিক জীবনযাপন পর্যালোচনা করতে হয়। খ্রিস্টিয় আদর্শ এবং খ্রিস্টিয় চেতনা অনুপ্রেরণা দান করে যেন আমাদের পরিবারে, সমাজে অন্যায়, অবিচার, অসত্য, দুর্নীতি ও নিপীড়ন না থাকে। সুষম, সুন্দর, ন্যায্য ও শান্তিপূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে বড়দিনের প্রধান উদ্দেশ্য।  বড়দিন ভরে উঠুক জাতি-ধর্ম সকল মানুষের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিতে। এই প্রার্থনা ঈশ্বরের নিকট।

২৫ ডিসেম্বর, খ্রীষ্টানদের বড় দিন, দিনটি খ্রীষ্টান বিশ্বে উদযাপিত হয়। ধর্মীয় উৎসব হিসেবে এর গুরুত্ব তাদের কাছে অনেক। কিন্তু দুঃখ্যজনক হলেও সত্য যে আজ মুসলিম বিশ্বেও দিনটি বেশ গুরুত্ব পচ্ছে। ইংরেজী Christmas শব্দটির দুটি অংশ একটি Christ অপরটি mas, Christ এটি ঈসা (আঃ) এর একটি উপাধি, আর mas অর্থ জন্ম দিন বা জন্ম উৎসব। তাহলে Christmas এর মাধ্যমে ঈসা (আঃ) এর জন্ম উৎসব বোঝানো হয়ে থাকে। (google.com এ গিয়ে “birthdate of jesus christ” লিখে সার্চ দিন।) যদিও আজকে খ্রীষ্টানরা এই দিনটিকে ঈসা (আঃ) এর জন্ম দিন হেসেবে পালন করে থাকে বাস্তবে ইতিহাসে তাঁর জন্ম তারিখ সঠিক ভাবে নির্ণিত নেই। এ নিয়ে স্বয়ং খ্রীষ্টানদের মাঝেও মতবিরোধ আছে। তাই দেখা যায় কেথলিক খ্রীষ্টানরা ২৫ ডিসেম্বারকে ক্রিসমাস হিসেবে পালন করে থাকে আর অপর দিকে অর্তডোকরা ৭ জানুয়ারীকে ক্রিসমাস হিসেবে পালন করে থাকে।
Add caption

যীশুর জন্মের বিষয়ে বাইবেল যা বলে

মথি ও লূকের সুসমাচারে আপনি যীশুর জন্মের বিষয়ে একেবারে ঠিক ঠিক ঘটনাগুলো পাবেন। সুসমাচারের বইগুলো আমাদের বলে যে গাব্রিয়েল দূত মরিয়ম নামে এক কুমারী যুবতীর কাছে আসেন, যে গালিলের নাসারতে বাস করত। দূত তাকে কী বলেছিলেন?
“দেখ, তুমি গর্ব্ভবতী হইয়া পুত্ত্র প্রসব করিবে, ও তাঁহার নাম যীশু রাখিবে। তিনি মহান্ হইবেন, আর তাঁহাকে বলা যাইবে; আর প্রভু ঈশ্বর তাঁহার পিতা দায়ূদের সিংহাসন তাঁহাকে দিবেন; তিনি যাকোব-কুলের উপরে যুগে যুগে রাজত্ব করিবেন, ও তাঁহার রাজ্যের শেষ হইবে না।”—লূক ১:৩১-৩৩.

এ কথা শুনে মরিয়ম খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কুমারী হওয়ায় তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন:
“ইহা কিরূপে হইবে? আমি ত পুরুষকে জানি না।”
দূত উত্তর দিয়েছিলেন:
“পবিত্র আত্মা তোমার উপরে আসিবেন, এবং পর্যন্ত শক্তি তোমার উপরে ছায়া করিবে; এই কারণ যে পবিত্র সন্তান জন্মিবেন, তাঁহাকে ঈশ্বরের পুত্ত্র বলা যাইবে।”
ঈশ্বর তার জন্য এমন চান তা বুঝতে পেরে মরিয়ম বলেছিলেন:
“দেখুন, আমি প্রভুর দাসী; আপনার বাক্যানুসারে আমার প্রতি ঘটুক।—লূক ১:৩৪-৩৮

এনএফ

Thursday, December 1, 2016

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সুইডেনে বিনা খরচে পড়াশোনা করতে পারবেন আপনিও

by
এন. ফারাবি

জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে বিভিন্ন পদক্ষেপ অতিক্রম করতে হয়। আর সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা হলো প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপায়। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ালেখা করতে হয়। যারা গ্রামে পড়ালেখা করে তারা চায় একটু শহরের দিকে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করতে। যারা শহরে পড়ালেখা করে তারা চায় রাজধানীতে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতে। আর যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পড়া লেখা শেষ করেন চান উন্নত বিশ্বের কোনো পড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভালো কোনো ডিগ্রি নিয়ে জীবন গড়তে। এই চাওয়াটা দোষের বা অন্যায় নয়। বরং ভালো।

প্রতিবছর বাংলাদেশে মাস্টার্স পাশ করে বের হচ্ছে আড়াই লাখের বেশি ছাত্র-ছাত্রী। সেখানে চাকরির বাজার খুবই খারাপ। মামা-চাচার জোর না হলে তো কথাই নাই। যারা আজ থেকে পাঁচ বছর বা দশ বছর পর নিজেকে অন্য মাত্রায় দেখতে চান তারা চেষ্টা করে দেখতে পারেন। ভাগ্যের চাবি কখন কার কিভাবে লেগে যায় সেটা কেউ বলতে পারে না।
সুইডেনের পড়াশোনার জন্য বৃত্তির সুযোগ দিচ্ছে সুইডিশ ইনস্টিটিউট স্টাডি স্কলারশিপ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির আওতায় বিনা খরচে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিতে পারবেনযদিও বৃত্তি দেওয়া হবে মাত্র ৩৩৫ শিক্ষার্থীকেতবে সুযোগ হাত ছাড়া করা উচিত না।
সম্প্রতি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এই বৃত্তির আওতায় সুইডেনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০০ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেয়া যাবে, যার মেয়াদ দুই বছরসেই সঙ্গে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় বৃত্তি পাবেন। একজন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা বসবাসের সম্পূর্ণ খরচ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে কমপক্ষে ৭৭ হাজার টাকা  বৃত্তি দেওয়া হবে। ছাড়া যাতায়াত খরচ বাবদ এককালীন এক লাখ ৩০ হাজার টাকা  দেওয়া হবে।
সে সব দেশ থেকে আবেদন করতে পারবে, তাদের তিনটি তালিকায় ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম তালিকাতেই আছে বাংলাদেশের নাম, বাংলাদেশীদের জন্য সুখবর। শিক্ষাজীবনে ফল কাজের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে বৃত্তি দেওয়া হবে। আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে তিন হাজার ঘণ্টা কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তার মানে প্রতিদিন আপনি ৮ ঘন্টা করে চাকুরি করলে ৩ হাজার ঘণ্টা হবে ১ বছর ৩ মাস চাকরি করলে।
দুটি ধাপে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীদের সুইডেনের জাতীয় আবেদন সেবার ওয়েবসাইটের (www.universityadmissions.se) মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের প্রথম ধাপ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে
কেবল মাত্র নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে জানানো হবে। ভর্তির জন্য আবার ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্ধারিত ভর্তি ফি জমা দিতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর আবেদনের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে, তবে সেক্ষেত্রে সবগুলো বিষয় খুব সাবধানে করতে হবে। এই ধাপে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। তবে  দ্বিতীয় ধাপে আবেদন পক্রিয়া চলবে ২০১৭ সালের থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
সুইডিশ ইনস্টিটিউট স্টাডি স্কলারশিপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (http://bit.ly/1LjSA1K" \t "_blank) ঠিকানায়
যুক্তরাষ্ট্রের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য বৃত্তির সুযোগ দিচ্ছে লুইস ড্রেফুস উইডেনফেল্ড স্কলারশিপ অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম  বৃত্তির সংখ্যা ১৬টি সম্প্রতি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বৃত্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কৃষি,  স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ পানি ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি, সরকারি পররাষ্ট্র নীতিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়া যাবে
যারা নির্বাচিত হবেন তারা আকর্ষণীয় বৃত্তি পাবেন। একজন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা বসবাসের সম্পূর্ণ খরচ দেওয়া হবে। দেয়া হবে কমপক্ষে ১২ লাখ টাকার বৃত্তি আবেদনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয় থেকে স্নাতক পাস হতে হবে।
প্রার্থীদের প্রথমেই নির্দিষ্ট একটি কোর্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদনের সময় অর্থায়নের স্থানেলুইস ড্রেফুস উইডেনফেল্ড স্কলারশিপ অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রামনির্বাচন করতে হবে। বিভিন্ন কোর্সভেদে আবেদন করা যাবে জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত লুইস ড্রেফুস উইডেনফেল্ড স্কলারশিপ অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (http://bit.ly/1uVX7xW) ঠিকানায়
যুক্তরাষ্ট্রে বিনা খরচে পড়ালেখা করার সুযোগ করে দিচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল কালচারাল সার্ভিস প্রোগ্রামের (আইসিএসপি) বৃত্তি। এতে নির্বাচিত প্রার্থীরা এই বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অরেগন থেকে স্নাতকে পড়ালেখা করতে পারবেন ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষাবৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আইসিএসপি। বৃত্তির আওতায় ইউনিভার্সিটি অব অরেগনে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ালেখা করা যাবে। একজন স্নাতক শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার খরচ বাবদ মোট ছয় লাখ থেকে ২৩ লাখ টাকা পর্যন্ত।
প্রথমে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ইউনিভার্সিটি অব অরেগনে শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধিত হতে হবে। তবে নতুন ভর্তি হয়েও বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে। ন্যূনতম সিজিপিএ .০০ থাকতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এমন শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।  সাংস্কৃতিক কাজের সঙ্গে বছরে কমপক্ষে ৮০ ঘণ্টা  সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে এমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে আবেদন করা যাবে ১৫ জানুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল কালচারাল সার্ভিস প্রোগ্রাম শিক্ষাবৃত্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বৃত্তিটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (https://isss.uoregon.edu/icsp) ঠিকানায়

Top Ad 728x90

Top Ad 728x90