স-ফ-ল-তা। চারটি বর্ণের সমন্বয়ে একটি শব্দ। তার আগে দেখে নেই প্রকৃতির কিছু লিলাখেলা। সমুদ্র বা নদীর ঢেউয়ে যেমন পাড় ভেঙ্গে যায়, তেমন সেই ঢেউয়ের তালে পাল তোলা নায়ের মাঝিরা কূলে ভিড়তে পারে। রাত যত গভীর হয়, ভোর তত কাছে আসে। মেঘের আড়ালে যেমন সূর্য লুকিয়ে থাকে তেমনি ব্যর্থতার পরই জীবনের সফলতা আসে। মানুষের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবনেও মাঝে মাঝে এমন ঝড়-তুফানের দেখা যায়। এতে অল্পতেই আমরা হাপিয়ে উঠি বা ধর্যহারা হয়ে পড়ি। অথচ প্রকৃতপক্ষে এটা তার জন্য পরীক্ষা। কিছু সময়ের জন্য যদি সে অটল থাকতে পারে, সাহস ও হিম্মত না হারিয়ে টিকে থাকে। তাহলে জীবনের সব সমস্যাগুলো তাকে নিয়ে যাবে সমাধানের রাজপথে। সাময়িক এ ধৈর্যের বিনিময়ে উচ্চতার সুপ্রান্ত সীমায় পরতে পারবে সম্মানের তাজ। আজ নির্দিষ্ট কোন কারণ বা উপায় আপনাকে দিতে পারব না তবে যেভাবে সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে হয় তার কিছু নমুনা দিচ্ছি। তাহলে আসুন আজ জেনে নিই কিভাবে আপনি আপনার সফলতার দিকে এগিয়ে যাবেন।
১. আপনি কি করতে চান: প্রথমে মনে মনে চিন্তা করুণ, আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কি করতে চায়। আপনি কি হবেন, কেন হবেন এবং সেটা কিভাবে। কিভাবে কাজটা শুরু করলে আপনি ভালো করতে পারবেন। এসব বিষয়ে মনযোগী হতে হয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আশাবাদী হওয়া। পড়াশুনা কিংবা ক্যারিয়ার যে কোন ক্ষেত্রেই নিজের সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণ করুন। সবসময় ভাববেন, যে কোন কঠিন কাজ হোক না কেন আপনার দ্বারাই তা করা সম্ভব।
২. কাজের মাধ্যম নিজে প্রস্তুত করে নেয়া: আপনি যে ক্ষেত্রে কাজ করতে চান সেখানে আপনি কি কি বাঁধার সম্মুখিন হতে পারেন, তার একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেন। এতে বিপদের হাত থেকে সহজে মুক্তি পাবেন। ভুল করেও মনে হতাশা স্থান দিবেন না। এমনকি হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকবেন। নিজেকে সময় উপযোগী করে গড়ে তুলুন। দেখবেন কাজ আপনার সঙ্গ ছাড়বে না।
৩. হতাশ হলে চলবে না:- আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখিন হচ্ছেন তাই হতাশ হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু না এভাবে আপনাকে ভেঙে পড়লে চলবে না। তাহলে আপনার লক্ষ্য থেকে সরে যাবেন। সফল হতে হলে আপনাকে ইস্পাতের চেয়েও বেশি শক্ত হতে হবে। মনে রাখবেন “সমস্যা যতই হোক, সমাধান তত”
১. আপনি কি করতে চান: প্রথমে মনে মনে চিন্তা করুণ, আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কি করতে চায়। আপনি কি হবেন, কেন হবেন এবং সেটা কিভাবে। কিভাবে কাজটা শুরু করলে আপনি ভালো করতে পারবেন। এসব বিষয়ে মনযোগী হতে হয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আশাবাদী হওয়া। পড়াশুনা কিংবা ক্যারিয়ার যে কোন ক্ষেত্রেই নিজের সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণ করুন। সবসময় ভাববেন, যে কোন কঠিন কাজ হোক না কেন আপনার দ্বারাই তা করা সম্ভব।
২. কাজের মাধ্যম নিজে প্রস্তুত করে নেয়া: আপনি যে ক্ষেত্রে কাজ করতে চান সেখানে আপনি কি কি বাঁধার সম্মুখিন হতে পারেন, তার একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেন। এতে বিপদের হাত থেকে সহজে মুক্তি পাবেন। ভুল করেও মনে হতাশা স্থান দিবেন না। এমনকি হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকবেন। নিজেকে সময় উপযোগী করে গড়ে তুলুন। দেখবেন কাজ আপনার সঙ্গ ছাড়বে না।
৩. হতাশ হলে চলবে না:- আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখিন হচ্ছেন তাই হতাশ হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু না এভাবে আপনাকে ভেঙে পড়লে চলবে না। তাহলে আপনার লক্ষ্য থেকে সরে যাবেন। সফল হতে হলে আপনাকে ইস্পাতের চেয়েও বেশি শক্ত হতে হবে। মনে রাখবেন “সমস্যা যতই হোক, সমাধান তত”
৪. অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া: পরামর্শ আপনার জীবনের গতি পালটে দিতে পারে। সেটা অবশ্যই অভিজ্ঞদের কাছ থেকে নিবেন। আপনি আপনার সিনিয়ার ব্যক্তিদের থেকে পরামর্শ নিতে পারে। কারণ তারা আপনার চেয়ে সেই কাজটা আরো আগে করেছে এবং জানে কোথায় কোথায় সমস্যাগুলো থাকে। সেটা জানলে আপনি ওই ভুল বা সমস্যায় পড়বেন না। ছোট একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন: গুগলের দুই জন ব্যবস্থাপক আছেন যাদের কোনো রুম নাই। তারা তারা সবার মাঝে বসে কাজ করেন কিন্তু তারপর ও তার সবার থেকে আলাদা।
৫. নিজের পেশাকে সম্মান করা: কাজকে আপনি ভালোবাসুন, কাজ আপনাকে আরো উপরে তুলে দিবে। আপনি যে পেশায় থাকেন না কেনো, হোক সেটা টিউশনি বা ইট ভাঙার কাজ, সেই কাজকে সম্মান করতে হবে। আপনি আপনার কাজকে সম্মান করলে অন্যরাও করবে। আপনি যদি দেখেন, একসময় আপনার পেশার অনেক দাম ছিলো, কিন্তু এখন আর কেউ দাম দেয় না। তাহলে বিষয়টা কিন্তু ঠিক হবে না। দিনে দিনে সব কাজের মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। তাই আপনার পেশার কাজ অন্যরা যেভাবে করে তার চেয়ে একটু ব্যতিক্রমভাবে আপনি করুণ, দেখবেন কাজও সহজ হয়ে যাবে এবং তাড়াতাড়ি উপরে উঠতে পারবেন।
৭. নিজের উপর আস্তা রাখুন ও দুর্বলতা দূর করুণ: আস্তা একন একটা জিনিস এটা যতক্ষণ রাখবেন কোনো সমস্যা আর সমস্যা মনে হবে না। কিন্তু একবার আস্তা হারিয়ে ফেললে হতাশায় ডুবে যাবেন। আস্তা রাখতে হবে, অন্যরা পারলে আপনিও পারবেন। সেই সঙ্গে নিজের দুর্বলতা সম্পর্কে জানুন। নিজের শক্তিশালী এবং দুর্বল দিকগুলো জানতে পারলে এর উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। কাজেই সবার আগে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে জানার চেষ্টা করুন। এতে এমনিতেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। নিজেকে সঠিকভাবে জানতে না পারলে আপনার ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা কখনই জেগে উঠবে না।
৮. হাসতে শিখুন ও শিখতে আগ্রহী হোন: হাসিকে বলা হয় সব রোগের মহৌষুধ। আমরা জানি, কষ্টের মুহূর্তগুলোতে মানুষ হাসতে পারে না। সেসময় সুখের সময়গুলোর দিকে মনোযোগ দিন। দেখবেন তাহলে হাজারো কষ্টের মধ্যেও হাসতে পারবেন। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে। কিছুর শেখার মধ্যে আত্মবিশ্বাস তখনই তৈরি হবে যদি ব্যক্তির নিজের ভুল থেকে শিক্ষার্জন করার অভ্যাস থাকে। এতে পরবর্তীতে নতুন উদ্যোমে কাজ করার মানসিকতা তৈরি হবে।
৯. নির্ভশীলতা কমানোঃ- অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কামাতে হবে। কারণ আপনি কার ও উপর নির্ভর করে কোন কাজ নিতে পারেন না। আপনি হয়ত ভাবতে পারেন সে আমার অমুক হয়, আমার কাজটা সে আমার করে দিবে না কখনই না, আপনি এটা করবেন না। কারণ আপনার কাজ অন্য কেউ করে দিলে তাতে আপনি পিছিয়ে
পরবেন, আর সে দক্ষ হয়ে উঠবে। আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলে সফলতা হাতে
চলে আসবে।১০. ধৈর্য ধারণ করাঃ- এটা আপনার জন্য সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপনি যে কাজই করেন না কেন। সেটা হউক অনলাইন বা অফলাইন যেটাই হউক না কেন। আপনি যে ক্ষেত্রে কাজ করেন না কেন আপনাকে অব্যশই ০৫ বছর অপেক্ষা করতেই হবে। বাংলাতে প্রবাদ আছে- ‘‘ধৈর্য ফল মিষ্টি হয়”। শুধু মিষ্টি নয় আরো অনেক কিছুই হয়। তাই আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবেই। সময়ই আপনাকে বলে দিবে আপনি কখন সফলতা পাবেন।
সর্বপরি, সফলতা সবার ক্ষেত্রে সমান হয় না এটা এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম হয়। আশা করি আপনারা যদি এই নিয়মগুলো মেনে চলেন তাহলে সফলতা আপনাদের আসবে ই ইনশাল্লাহ্।
NU BD/National University








